কুরআনের আয়াতে আরবি ব্যাকরণ

ডিজিটাল ডাউনলোড সম্পর্কে

লিংক থেকে শর্ট পিডিএফ দেখে নিন- https://drive.google.com/file/d/1DHV8n9ApoTkcflvfB7D_VU7x0F_AVkc0/view?usp=sharing

সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর, যিনি কুরআনকে নাযিল করেছেন সুস্পষ্ট আরবি ভাষায়—﴿بِلِسَانٍ عَرَبِيٍّ مُّبِينٍ﴾ (২৬:১৯৫)। দরুদ ও সালাম বর্ষিত হোক সেই নবীর ওপর, যিনি ছিলেন আরবদের মধ্যে সবচেয়ে বিশুদ্ধভাষী।

আরবি ব্যাকরণ (নাহু ও সরফ) শেখার উদ্দেশ্য কী? প্রাচীন আলেমরা এক বাক্যে উত্তর দিয়েছেন: কুরআন ও সুন্নাহকে সঠিকভাবে পড়া ও বোঝা। ইতিহাস বলে, ইলমুন নাহুর জন্মই হয়েছিল কুরআন পাঠে ভুল (লাহন) ঠেকানোর জন্য। অথচ আমাদের মাদরাসা ও কোর্সগুলোতে ব্যাকরণের বেশির ভাগ উদাহরণ নেওয়া হয় কৃত্রিম বাক্য থেকে—ضَرَبَ زَيْدٌ عَمْرًا। শিক্ষার্থী নিয়ম মুখস্থ করে, কিন্তু কুরআন খুলে সেই নিয়ম চিনতে পারে না।

এই বইয়ের মূলনীতি তাই একটিই: প্রতিটি নিয়মের উদাহরণ কুরআন থেকে। প্রথমে নিয়মটি সহজ বাংলায় বলা হয়েছে, এরপর সংশ্লিষ্ট আরবি পরিভাষা ও তার সংজ্ঞা, তারপর কুরআনের আয়াতে সেই নিয়মের প্রয়োগ—লক্ষ্য-শব্দটি রঙ দিয়ে চিহ্নিত করে, অনুবাদ ও সংক্ষিপ্ত ই‘রাবসহ। অধ্যায়ের শেষে আছে কুরআনের আয়াত দিয়েই অনুশীলনী, আর বইয়ের শেষে উত্তরমালা।

পরিভাষার ব্যাপারে বিশেষ যত্ন নেওয়া হয়েছে। নাহু-সরফের প্রায় প্রতিটি প্রচলিত পরিভাষা—মুবতাদা-খবর থেকে নাইবুল ফায়িল, মাফউল মুতলাক থেকে বাদালুল ইশতিমাল, বাবে ইফআল থেকে ইসমুল আলা—আরবি মূলরূপ, বাংলা উচ্চারণ ও সংজ্ঞাসহ যথাস্থানে দেওয়া হয়েছে এবং পরিশিষ্টে বর্ণানুক্রমিক পূর্ণাঙ্গ পরিভাষাকোষে একত্র করা হয়েছে, যাতে শিক্ষার্থী এক বইয়েই সব পায়।

১৯০.০০৳